Wednesday, December 7, 2016

“বিটিসিএল” সারা দেশে সাশ্রয়ী মূলে আইসিটি সেবা দিচ্ছে----


২ হাজার ৫৭৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয় করে সারা দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে আইসিটি সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)।


আইসিটি সেবা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য দেশের সমগ্র জনসাধারণের জন্য টেলিডেনসিটি এবং টেলিএক্সেস সুবিধারও সম্প্রসারণ করবে সংস্থাটি।

‘মডার্নাইজেশন অব টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ফর ডিজিটাল কানেক্টিভিটি’ প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে ১ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে চীন থেকে পাওয়া যাবে।

বিটিসিএল সূত্র জানায়, প্রকল্পের মাধ্যমে অপটিক্যাল ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে। বিটিসিএল-এর অাইপি নেটওয়ার্ক স্থাপন, নেটওয়ার্ক অপারেশন এবং রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনসহ কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

বিটিসিএল সূত্র জানায়, টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক স্থাপনের মাধ্যমে দেশের সকল জনসাধারণের জন্য ই-গভর্নেন্স, ই-কমার্স, ই-এডুকেশন, ই-সাইন্স, ই-কৃষি এবং অন্যান্য সেবা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

এর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও গড়ে উঠবে। ফলে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জনসাধারণের স্বল্প খরচ করে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার এবং শেয়ার করতে পারবে বলে জানায় বিটিসিএল।

বর্তমান সরকারের আমলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড সেবা সম্প্রসারণ সম্প্রসারিত হচ্ছে। ফলে দেশব্যাপী বিস্তৃত একটি আধুনিক ও শক্তিশালী আইপি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা অপরিহার্য বলে মনে করে বিটিসিএল।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যুগ্ম-প্রধান ওসমান গনি তালুকদার বলেন, বিটিসিএল-এর মাধ্যমে দেশের আইসিটি সেবা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। আমরা সাশ্রয়ী মূল্যে সমগ্র দেশবাসীকে এই সেবা দিতে পারবো।

চট্টগ্রাম, খুলনা এবং সিলেট ব্যতীত বাংলাদেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ও গ্রোথ সেন্টারে স্থাপিত টেলিফোন এক্সচেঞ্জসমূহ গড়ে ১০ থেকে ১৫ বছর চালু থাকায় এগুলোর আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে গেছে।

এসব এক্সচেঞ্জ প্রযুক্তিও বর্তমানে সেকেলে এবং স্পেয়ার পার্টস না পাওয়ায় এগুলো চালু করা সম্ভব না। ফলে জরুরি ভিত্তিতে চালু না করা গেলে এক্সচেঞ্জসমূহ অচিরেই বন্ধ হয়ে যাবে। প্রকল্পের আওতায় এই সমস্যাগুলোও সমাধান করতে পারবো।’

সূত্রঃ অনলাইন

ভূমি রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় সব তথ্য জেনে নিন-----

সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়কে স্থায়ী করে রাখবার একটি চমৎকার উপায় হইতেছে রেজিস্ট্রেশন আইন। সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় মৌখিকভাবে হতে পারে। আবার লিখিত দলিল দ্বারাও হতে পারে। কিন্তু মৌখিকভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের বিপদ অনেক। প্রতারিত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সময়ের সাথে সাথে সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেকেই লোভ সম্বরণ করতে না পেরে ছলে বলে এবং কৌশলে কি করে অন্যের সম্পত্তি আত্মসাত করা যায় তার প্রচেষ্টা চালায়। যিনি সম্পত্তি বিক্রয় করেন তিনি লোভের বশবর্তী হয়ে বিক্রয়টি অস্বীকার করিতে পারেন বা সম্পূর্ণ বিক্রয় মূল্য পান নাই বলে আপত্তি উপস্থাপন করতে পারেন। কাজেই দেখা যাচ্ছে সম্পত্তি মৌখিকভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের বিপদ অনেক। কিন্তু লিখিত দলিল দ্বারা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করলে বিপদ অনেক কম থাকে। এমনকি প্রতারিত হবার সম্ভাবনাও কম থাকে। কেননা লিখিত দলিল মৌখিক দাবীর চাইতে মূল্যবান এবং অনেক বেশি প্রাধান্য পায়। লিখিত দলিল থাকলে মিথ্যা দাবী তুলে ক্রয়-বিক্রয় অস্বীকার করিয়া সুবিধা করা যায় না। কিন্তু লিখিত দলিল কি সব সময় নিরাপদ? না তাও নয়। কেননা লিখিত দলিল দ্বারাও প্রতারণার সম্ভাবনা থাকে। দলিল লিখিয়া তাহা দশ পনের বৎসর পূর্বে সম্পাদিত হয়েছিল। কাজেই দেখা যাচ্ছে যে সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় লিখিত দলিল দ্বারা হলেই যে বিপদের আশংকা থাকে না, তা নয়। এই আশংকা দূর করবার বিধান রেজিষ্ট্রেশন আইনে দেওয়া হয়েছে। যাহাতে লিখিত দলিলের পিছনের তারিখ দিয়া দলিল রেজিষ্ট্রি করে নেওয়া সম্ভব না হয়। কারণ এই আইনে দলিল সম্পাদনের চার মানের মধ্যেই রেজিষ্ট্রির জন্য দলিল দাখিল করার বিধান দেওয়া হয়েছে। লিখিত দলিল হারিয়ে যাইতে পারে, নষ্ট হয়ে যেতে পারে, অপাঠ্য বা অস্পষ্ট হয়ে পড়িতে পারে। কিন্তু দলিলখানি যদি রেজিষ্ট্রি হইয়া থাকে তা হলে সহজেই ঐ দলিলের নকল নেওয়া যেতে পারে। রেজিষ্ট্রেশন আইনের বলেই তা সম্ভব হয়েছে। বহু বৎসরের অতিকভজ্ঞতার ফসল এই রেজিষ্ট্রেশন আইন। ডোমার উপজেলা থেকে চিলাহাটির দুরত্ব ২০ কিঃমিঃ। ফলে দুরত্ব বিবেচনা করে চিলাহাটিতে একটি সাব রেজিষ্ট্রি অফিস রয়েছে যেখানে সপ্তাহে ৪ দিন জমি রেজিষ্ট্রেশন করা হয়। ডোমার উপজেলায় মোট ২ টি সাব রেজিষ্ট্রি অফিস রয়েছে। রেজিষ্ট্রেশনের ফি নিম্নে উলেস্নখ করা হলোঃ

Tuesday, December 6, 2016

মধ্যরাতে ফুটপাতে ঘুমন্ত মানুষের উপর গাড়ি চালিয়ে হত্যা---


ফুটপাথে ঘুমন্ত মানুষের ওপর গাড়ি উঠে একজন নিহত, তিনজন আহত
হাইকোর্ট সংলগ্ন ফুটপাথে শুয়ে ছিলেন একদল ছিন্নমূল মানুষ। হঠাৎই একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় উড়ে এসে শুয়ে থাকা মানুষগুলোর ওপর দিয়ে হাইকোর্টের সীমানা পিলার ও গ্রিল ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায়।

পেটের মেদ বা চর্বি কমাবেন যেভাবে- - -




ডায়েটের পাশাপাশি পেটের মেদ কমানোর জন্য আদার ডিটক্স পান করতে পারেন। ডিটক্স আপনার পেটের মেদ কাটাতে সাহায্য করবে। আদার এই ডিটক্স শুধু পেটের নয়, এটি ঊরুর মেদও কমাতে সাহায্য করে থাকে।
উপকরণ
১. আদার কয়েকটি টুকরো
২. ১-১.৫ লিটার পানি

প্রণালি
১. চুলায় ১-১.৫ লিটার পানি দিন
২. এর পর এতে আদার টুকরো দিয়ে দিন
৩. পানি ফুটে এলে নিম্ন আঁচে ১৫ মিনিট জ্বাল দিন
৪. ঘন হয়ে এলে এটি ছেঁকে আদা ও পানি আলাদা করে নিন
৫. ঠান্ডা হয়ে গেলে পান করুন।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার প্রয়োজনীয় ৭টি টিপস্‌---



১. বাজারে অনেক ধরনের মাউথ ওয়াশ পাওয়া যায়। তবে অ্যালকোহলযুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিত নয়। এটা মুখগহ্বরকে শুষ্ক করে তোলে এবং এতে ব্যাকটেরিয়া বেশি জন্মায়। বরং প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ হালকা গরম লবণ মেশানো পানি দিয়ে কুলিকুচি করতে পারেন।

২. নিকোটিন হচ্ছে সবচেয়ে বড় শত্রু। এটি দাঁত ও জিহ্বাতে জমে যায়। ধূমপান মুখের ভেতরটাকে বেশি শুষ্ক করে তোলে। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে লালাও তৈরি হতে পারে না।

৩. সজীব নিশ্বাসের জন্য দাঁত ব্রাশ করার সময় টুথব্রাশে যোগ করা যেতে পারে কয়েক ফোঁটা চা পাতার তেল অথবা পুদিনার তেল।